চাঁদে নিয়মিত মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যে ‘নাসা’

চাঁদে নিয়মিত মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যে ‘নাসা’

আগামী দিনে যাতে নিয়মিত চাঁদে মানুষ পাঠানো যায়, সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা)। প্রতিষ্ঠানটি আশা প্রকাশ করেছে, ২০২৮ সালের মধ্যেই এই কাজ সম্পূর্ণ করতে চায়।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, চাঁদে নভোচারী পাঠানো হচ্ছে ৩ থেকে ৭ জন মহাকাশচারী। আর তাঁরা এ বার কয়েক ঘণ্টা বা দিন কয়েকের জন্য যাবেন না চাঁদে। চাঁদের জমিনে তাঁরা থাকবেন মাস খানেক বা মাস দু’য়েক। প্রয়োজনে তা ৬ মাসও হতে পারে। তাঁদের কাজ হবে চাঁদের জমিনে সভ্যতা গড়ে তোলার ব্যবস্থা, নিয়মিত পৃথিবী থেকে চাঁদে যাওয়া-আসার ব্যবস্থা করা।

নাসার চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জিম ব্রিডেনস্টাইন জানান, আজ থেকে ৫০ বছর আগে ‘অ্যাপোলো-১১’ মহাকাশযানে চড়ে তিন মার্কিন মহাকাশচারী গিয়েছিলেন চাঁদে। চাঁদের মাটিতে নেমেছিলেন দুই মার্কিন মহাকাশচারী নিল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন। সাড়ে ২১ ঘণ্টার জন্য। তাঁরা চাঁদের মাটিতে পুঁতেছিলেন আমেরিকার পতাকা। তুলে নিয়ে এসেছিলেন চাঁদের মাটি। মাইকেল কলিন্স ছিলেন সেই মহাকাশযানের পাইলট।

কিন্তু এ বার অন্য রকম হবে। ব্রিডেনস্টাইন জানিয়েছেন, শুধু জাতীয় পতাকা পুঁতে আর মাটি তুলে এনেই কাজ শেষ হয়ে যাবে না চাঁদের মাটিতে নামা মার্কিন মহাকাশচারীদের। তাঁদের আরও অনেক রকমের জটিল কাজ করতে হবে চাঁদের মাটিতে নেমে। যাতে আগামী দিনে চাঁদে মানুষ পাঠানো যায়। সেখানেও গড়ে তোলা যায় মানুষের থাকার জায়গা। যাতে চাঁদকে ট্রান্সপোর্টেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলে সেখান থেকে মঙ্গলের মতো ভিনগ্রহে পাঠানো যায় মহাকাশযান। তাতে ভিনগ্রহ অভিযানের সময় কমবে। কমবে জ্বালানির খরচও।

চাঁদকে বাসযোগ্য করে তোলার কাজটা এ বার আমরাই শুরু করব চাঁদে দিয়ে। যাতে মাঝেমধ্যেই মহাকাশযানে চাপিয়ে মানুষ নিয়ে যাওয়া যায় চাঁদে। আবার কিছু দিন পর তাঁদের ফিরিয়ে আনা যায়। ফের নিয়ে যাওয়া যায় অন্যদের। চাঁদে যাওয়া-আসাটা যেন আমাদের কাছে সাধারণ হয়ে যায়।’’

ম্যাঙ্গোটিভি/১৮ ফেব্রুয়ারি/ এসআর

প্রযুক্তি জগতের সকল আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন ম্যাংগোটিভির

COMMENTS