৫ম শিল্পবিপ্লব ও সোসাইটি ৫.০: মোস্তাফা জব্বার

 ৫ম শিল্পবিপ্লব ও সোসাইটি ৫.০: মোস্তাফা জব্বার

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম নিজেই স্বীকার করেছে যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব এতটাই যান্ত্রিক যে মানুষের জন্য সেটি বিপজ্জনক হতে পারে। মানুষের কর্মচ্যুতির পাশাপাশি প্রযুক্তির দাপট এমনভাবেই সম্প্রসারিত হতে পারে যে, মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় মানুষ একটু থমকে দাঁড়াতেই পারে। আমাদের মতো, ভারতের মতো বা চীনের মতো জনবহুল দেশগুলোর জন্য রোবট ব্যবহার করে মানুষের কর্মসংস্থান বিনষ্ট করাটা অবশ্যই ভাবনার বিষয়। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের মতো অতি জনবহুল ও ক্ষুদ্র দেশেও বাইরে থেকে জনসম্পদ আমদানি করতে হয় কেবল অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে। চালকবিহীন গাড়ি জাপানের জন্য খুবই চমৎকার হতে পারে, জার্মানি পোশাক বানানোর রোবট নিয়ে আনন্দে নাচতে পারে কিন্তু আমাদের কথা ভাবলে গা শিউরে উঠবে। এমনিতেই আমরা কর্মসংস্থানের সংকটে নিমজ্জিত। এর মাঝে ডিজিটাল প্রযুক্তি যদি আমাদের কর্মহীন করে দেয় তবে রক্ষা নেই। আমরা তাই ডিজিটাল রূপান্তরের ভালো অংশটুকু নিতে চাই এবং ভয়ঙ্কর অংশটি ত্যাগ করতে চাই।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামও তাই ৫ম শিল্পবিপ্লবকে মানবিক বলছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ভয়ঙ্কর দিকটা কাটিয়ে চলার বিষয়ে ৫টি আশাবাদের কথা বলা হয়েছে। ক) বাণিজ্যের ডিজিটাল রূপান্তর পুঁজিবাদী অর্থনীতিতেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে- শিল্প-কলকারখানাকে ক্রেতামুখী হতে হবে। ৫ম শিল্পবিপ্লবের লক্ষ্যটা তাই মানুষকে তথা ক্রেতাকে বাদ দিয়ে নয়। অর্থাৎ এটি কোনো একমুখী বা একতরফা কর্মকা- নয়। খ) ৫ম শিল্পবিপ্লব প্রযুক্তি দিয়ে মানুষকে স্থলাভিষিক্ত না করে মানুষের জন্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করবে। অনুচ্ছেদটা এ রকম- In the Fifth Industrial Revolution, humans and machines will dance together, metaphorically. At Davos 2019, an event sponsored by Forbes, MIT and Tata had the theme ÔBlockchain+AI+Human = MagicÕ. This equation seems impossible to some, but it can, and will, prove true. AI will help increase human labour productivity. Blockchain will help give access to banking (and intangible forms of capital) to the unbanked. Robots will help humans align returns on investment (ROI) with purpose. But it will require intentionality and moral clarity.

গ) জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশের প্রত্যয় এসডিজিতে এমন কিছু বিষয় আছে যা সারা দুনিয়াকেই বস্তুত চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ভয়ঙ্কর বিষয়গুলো এড়িয়ে শিল্প-বাণিজ্য তথা জীবনধারাকে ৫ম শিল্পবিপ্লবমুখী করতে উৎসাহিত করবে। এসডিজি বস্তুত মানবসভ্যতার সামাজিক, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে সমন্বিত করেছে। এ জন্য ৫ম শিল্পবিপ্লবকে বিশ্ববাসী স্বাগতই জানাবে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা যেমন- ১. দারিদ্র্যহীন বিশ্ব, ২. ক্ষুধাহীন বিশ্ব, ৩. সুস্বাস্থ্য ৪. উন্নত শিক্ষা ৫. লিঙ্গ সমতা ৬. সুপেয় পানি ও পয়োপরিচ্ছন্নতা ৭. ক্রয়ক্ষমতায় থাকা নিরাপদ শক্তি ৮. সুকর্ম ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো ১০. হ্রাসকৃত অসমতা ১১. সাসটেইনেবল নগর ও সম্প্রদায় ১২. দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন ১৩. জলবায়ু বিষয়ক কার্যক্রম ১৪. জলজ প্রাণীর জীবন ১৫. ভূমিতে বসবাসকারী প্রাণী ১৬. শান্তি, বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ১৭. লক্ষ্য অর্জনে পারস্পরিক সহায়তা।
এসডিজির এসব লক্ষ্যমাত্রার মাঝে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ঘ) লিঙ্গ সমতায় বিশ্ববাসীর আগ্রহ এবং ঙ) সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাসীর অগ্রগতির সমন্বিত আকাক্সক্ষাকে আশাবাদের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে।

পঞ্চম শিল্পবিপ্লব ও জাপানের সোসাইটি ৫.০ : ইউরোপের অন্য দেশসমূহের আগেই জার্মানরা যখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে তাদের তত্ত্ব উপস্থাপন করা শুরু করে তখনই জাপান চিন্তা করতে থাকে যে মানবসভ্যতা চতুর্থ নয় পঞ্চম যুগে পৌঁছাচ্ছে। জার্মানরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কথা প্রথম বলে ২০১১ সালে হ্যানোভারে। তবে ধারণাটিকে গোছাতে তাদের অবশ্য আরো একটু সময় লেগেছে। ২০১৬ সালে তারা তাদের পঞ্চম সমাজের ধারণা প্রকাশ করে। তাদের মতে, মানবসভ্যতার শিকারিযুগ, কৃষিযুগ, শিল্পযুগ, তথ্যযুগ অতিক্রম করার পর সুপার স্মার্টযুগ হিসেবে সোসাইটি ৫.০ কে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা ডিজিটাল যুগ, শিল্পবিপ্লব ৪.০ বা মানবসভ্যতার চতুর্থ স্তর হিসেবে ডিজিটাল যুগকে চিহ্নিত করেন তারাও জাপানি ধারণার কাছাকাছি কথা বলেন। ইউরোপীয়রা এখন যখন পঞ্চম শিল্পবিপ্লব নিয়ে আলোচনা করছে তখন মনে করতেই পারি আমরা যে জাপানের সোসাইটি ৫.০ তাদের চিন্তায় কাজ করছে।

অ্যালভিন টফলারের বিবেচনায় এটি তৃতীয় যুগই হতে পারত। কারণ টফলার শিকারিযুগটাকে মানবসভ্যতার যুগ বিবেচনা করেননি। শিকারিযুগটাকে বস্তুত প্রাক-সভ্যতা যুগ বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এরপর টফলার কৃষিযুগ, শিল্পযুগ এবং তৃতীয় যুগ হিসেবে তথ্যযুগটাকে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম শিল্পবিপ্লবকে এখন পাঁচটি যুগে বিভক্ত করেন। যদিও তাদের ফোকাস এখনো চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ওপর তথাপি পঞ্চম শিল্পযুগকে অস্বীকার করতে যাচ্ছে না বলে তারা এবার চীনে এ বিষয়টিকেই প্রতিপাদ্য হিসেবে আলোচনা করছে। জাপান টফলারের তৃতীয় যুগ বা অর্থনৈতিক ফোরামের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পরের স্তরটাকে সোসাইটি ৫.০ বলছে। বস্তুত প্রচলিত ধারণায় জাপান কিছু নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। জাপানের এই ধারণাটি যতটা সারা দুনিয়ার জন্য না তার চাইতে বেশি জাপানের মতো বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীসমৃদ্ধ দেশসমূহের জন্য। বিশ্বের বহু দেশ জাপানের সমস্যায় ভুগছে। তাদের দেশে সভ্যতার চাকা সামনে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ নেই। বৃদ্ধ জনগোষ্ঠী তাদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি বিশ্বের এসব দেশে জন্মহার নেতিবাচক হতে শুরু করেছে। আমাদের কথা বিবেচনা করলে তাদের ভাবনাটির বহুলাংশ আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ আমাদের জনসংখ্যার শতকরা ৬৫ ভাগ তরুণ। আমাদের জন্য বড় ভাবনা হলো এই নবীন কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে আমরা কেমন করে কাজে লাগাতে পারি। প্রযুক্তি অনেক ক্ষেত্রেই কায়িক শ্রমকে বিলুপ্ত করে দিচ্ছে। তেমন একটি অবস্থায় আমরা যদি আমাদের জনগোষ্ঠীকে প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদে পরিণত করতে না পারি তবে চ্যালেঞ্জটা বাড়তেই থাকবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তথ্যপ্রযুক্তি মেলা সিবিটের সহযোগী দেশ জাপান। সেই সিবিট মেলায় ২০১১ সালে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কথা বলা হয় আর ২০১৭ সালে সোসাইটি ৫.০ বিষয়কে কেন্দ্র করে বিশ্বের প্রায় ১২০টি প্রতিষ্ঠান জীবনযাত্রার ওপর ডিজিটাল প্রভাবের কিছু নমুনা তুলে ধরে। তবে ২০১৬ সালেই জাপান সোসাইটি ৫.০ এর ধারণা নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। জাপান মনে করে যে জন্মহার, বয়স্ক জনসংখ্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দূষণ সমস্যাগুলো প্রযুক্তি দিয়ে মোকাবেলা করা যেতে পারে।

জাপান ফেডারেশন অব বিজনেসের রূপরেখা অনুসারে সোসাইটি ৫.০-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে- অর্থনীতি থেকে শুরু করে জাপান সমাজের সব স্তরকে ডিজিটাল করার মাধ্যমে সমাজকে রূপান্তর করা। আমরা যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ এর কথা ভাবি তবে আমাদের লক্ষ্যও এর চাইতে অনেক বেশি সম্প্রসারিত বলে মনে হতে পারে। কাকতালীয়ভাবে আমরা এ ঘোষণাটি এক দশক আগে দিয়েছি। তবে আমাদের সঙ্গে তাদের ভাবনার কিছু পার্থক্য তো আছেই। ডিজিটাল বাংলাদেশ বইটি পাঠ করলে পুরো চিত্রটা পাওয়া যাবে।

বেশিরভাগ দেশের জন্য বৃদ্ধ বয়সী জনসংখ্যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে জাপানের জন্য। জাপানের জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, কিন্তু এর নাগরিকদের গড় বয়স বাড়ছে। কম জন্মহার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিণতির ফলে এটি তরুণ, কর্মক্ষম ব্যক্তি এবং যাদের যত্নের প্রয়োজন তাদের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হচ্ছে। সোসাইটি ৫.০-এর প্রবক্তারা মনে করেন যে, প্রযুক্তির সক্ষমতা প্রকাশ করে স্মার্ট কর্মপন্থার ফলে কিছু সমস্যা হ্রাস করা সম্ভব। স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ে (জাপান বিজনেস ফেডারেশন) প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয় যে, জাপানের জনসংখ্যার ২৬.৩ ভাগের বয়স ৬৫ বছরের উপরে এবং ২০৫০ সালে বিশ্বের শতকরা ২০ ভাগ মানুষের বয়স ৬০-এর উপরে থাকবে। মূলত এর অর্থ জাপানের আজকের এই আশ্চর্যজনক সংখ্যা ছাড়াও জাপান যা করছে এবং কীভাবে সোসাইটি ৫.০ বাস্তবে কাজ করে তা সব দেশকে ভেবে দেখতে হবে। অবশ্য জাপান কেবল বয়স্ক জনগোষ্ঠীকেই সোসাইটি ৫.০-এর প্রতিপাদ্য বিষয় মনে করছে না।

জাপান মনে করে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যতীত অন্য চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে, অন্যান্য দেশের তুলনায় জাপানকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হয় এবং দূষণের সঙ্গে লড়াই করতে হয়। সে জন্য সোসাইটি ৫.০ বা সুপার স্মার্ট সোসাইটির বিষয়টিকে গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।

জাপানের পঞ্চম সমাজের ছোট্ট একটা বিবরণ এখানে তুলে ধরা যেতে পারে। কেইদারেনের রূপরেখায়, ৫টি পর্যায়ের সামাজিক বিবর্তন হিসেবে সোসাইটি ৫.০ চিত্রিত হয়েছে। ১. শিকারি সমাজ ২. কৃষি সমাজ ৩. শিল্প সমাজ ৪. তথ্য সমাজ ৫. সুপার স্মার্ট সমাজ বা সোসাইটি ৫.০।

জাপান বিজনেস ফেডারেশন সোসাইটি ৫.০ বিষয়ে একটি রূপরেখা প্রকাশ করেছে যাতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, আমরা যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি তার জন্য ৫টি দেয়াল ভাঙার প্রয়োজন হবে। প্রকৃতপক্ষে তারা মনে করে দেয়াল ভাঙার পরে সৃষ্ট সমাজই সোসাইটি ৫.০ বা সুপার স্মার্ট সোসাইটি।

দেখা যাক সমাজ ৫.০ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? শুরুতেই বলা হচ্ছে সমাজ ৫.০ এর জন্য পাঁচটি দেয়াল ভাঙতে হবে। ১. প্রথমেই তারা মনে করে যে প্রশাসন, মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিস সংস্থা জনগণের সঙ্গে যে দেয়াল তুলে রেখেছে সেটি ভাঙতে হবে। আমি খুব সহজেই এটি অনুভব করি যে একটি ডিজিটাল সরকার বিষয়ে আমাদের যে ভাবনা এই দেয়াল ভাঙাটা তার চাইতে বড় কিছু নয়। বরং আমরা এই চ্যালেঞ্জটা আরো দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করছি। ২. জাপানের পঞ্চম সমাজের দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জটা হলো আইনের দেয়াল ভাঙা। এর মানে বিদ্যমান প্রাচীন যুগের আইনগুলোকে সমাজ ৫.০-এর উপযোগী করা। ৩. সমাজ ৫.০-এর তৃতীয় দেয়ালটা হলো প্রযুক্তির দেয়াল। নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে জনগণকে সম্পৃক্ত করা ও সমাজের বিবর্তনে একে কাজে লাগানো হচ্ছে এই দেয়ালটা ভাঙা। ৪. মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক দেয়ালটা চতুর্থ দেয়াল। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার সময় থেকেই এই দেয়াল ভাঙার কাজ করছি। ৫. পঞ্চম দেয়ালটি হচ্ছে পঞ্চম সমাজকে সমাজের সব মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করা।

জাপান চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে অংশ নিতে শুরু করায় তার সমাজ ও উৎপাদন ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, আইওটি, বিগ ডাটা ইত্যাদি প্রযুক্তি দেশটির রূপান্তরে একটি নতুন ভূমিকা পালন করছে এবং শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনছে। জাপানে শিল্পে রোবটিক্সের ব্যবহার ইতোমধ্যে ২য় স্থানে রয়েছে। প্রতি দশ হাজার কর্মীর অনুপাতে ২১১টি রোবট দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে জাপানে। রোবট ব্যবহারে শীর্ষ স্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

জার্মানি ৩য় স্থানে। জাপানের অফিস কর্মীরা গড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ সময় ডেটা এন্ট্রি নিয়ে ব্যস্ত থাকে, সেটা বদলাতে জাপান এআই ওয়ার্কস নামের একটি অ্যাপ তৈরি করেছে। এ ধরনের বিশাল সামাজিক পরিবর্তন কাজ করবে কিনা এবং সামাজিক স্বীকৃতির দেয়াল ভেঙে ফেলা হবে কিনা এ প্রশ্নের উত্তর ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে।

মোস্তাফা জব্বার : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও কলাম লেখক।

COMMENTS